ল্যাবএইড প্রতিষ্ঠানের নামে পাচার করছে অবৈধ অর্থ!

রেডিও ১৬ আনা নিউজ- 

ল্যাবএইড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ল্যাবএইড প্রপার্টিজ গ্রাহকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ নিয়ে তা এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর এবং সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ দেশে একাধিক ভবন কিনেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 


এসকল অভিযোগের ভিত্তিতে ল্যাবএইড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এম শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকও। এদিকে নকশা অমান্য করায় ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা প্রদান করা হয়। রাজউকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রোটকল) আতিকুর রহমান বলেন, গ্রীন রোড আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে চলা গেস্টহাউজ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও উচ্ছেদে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন- রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসির হোসেন, জোন-৫ এর (ধানমন্ডি, লালবাগ) পরিচালক শাহ আলম চৌধুরী, অথরাইজড অফিসার আশীষ কুমার সাহা প্রমুখ। 

রাজউকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রোটকল) আতিকুর রহমান বলেন, গ্রীন রোড আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে চলা গেস্টহাউজ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও উচ্ছেদে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় হাসপাতাল ভবনের মূল নকশা না মেনে কার পার্কিয়ের জায়গা স্টোররুমসহ অন্য কাজে ব্যবহার করায় ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৯ টা থেকে প্রায় দেড় ঘন্টা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ডা. এ এম শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 

রোগীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা গ্রহণ ও গ্রুপের বিভিন্ন মেশিনারিজ বিভিন্ন ব্যাংকে বন্ধক দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ নেওয়াসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে ডা. শামীমের বিরুদ্ধে। দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সময় শামীম তার বিরুদ্ধে আসা বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন। একইসঙ্গে তার কাছ থেকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্র চাওয়া হলে তিনি তা দুদকে দাখিল করবেন বলে অনুসন্ধান কর্মকর্তার কাছে জানিয়েছেন। 

এর আগে গত সোমবার ল্যাবএইড গ্রুপের এমডিকে নোটিস দিয়ে কমিশনে তলব করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা সামছুল আলম। অনুসন্ধান কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান।

Comments